শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচার শুরু

সারাদেশ
Spread the love

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের ভেতরে ঢুকে কবর জিয়ারত করতে পারলেন না গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব। পরে সমাধিসৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করেন তিনি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শেখ মুজিবের সমাধিসৌধের ৩ নম্বর গেটে এমন ঘটনা ঘটে। সেখান থেকেই তাঁর নির্বাচনী প্রতীক ফুটবল মার্কার প্রচার শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী গণসংযোগ এবং প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট ও সমর্থন চান। এর আগে গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন হাবিব।

গোপালগঞ্জ-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধগোপালগঞ্জ-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ
স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি। আর প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের ভেতরে গিয়ে তাঁর কবর জিয়ারত করতে পারিনি। তাই গেটের বাইরে দাঁড়িয়েই বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেছি।’

গোপালগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫০ নেতার পদত্যাগগোপালগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫০ নেতার পদত্যাগ
রাজনৈতিক অতীত প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, ‘একসময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি এবং জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’

দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে হাবিব বলেন, ‘আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই।’

একই বংশের দুই নেতা দুই দল থেকে এমপি প্রার্থীএকই বংশের দুই নেতা দুই দল থেকে এমপি প্রার্থী
ওই স্বতন্ত্র প্রার্থী আরও বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেপ্তারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যাঁরা রাজনীতি করেন, তাঁদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাঁদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই। সকল অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতির লক্ষ্য।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *