নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো (২৪ নভেম্বর,২০২৫) একাডেমি অব ডেন্টাল এক্সিলেন্স এর আয়োজনে এক বৈজ্ঞানিক সেমিনার এবং ইনঅগারেশন অনুষ্ঠান। ডেন্টাল শিক্ষা ও গবেষণা নিয়ে এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক ও নবীন প্রশিক্ষণার্থীরা অংশ নেন।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল, অধ্যাপক ডা. ওয়াজেদ আলী।
এডেক্সের আহ্বায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ডেন্টাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. এস এম আনোয়ার সাদাত এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহনাজ বেগম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডেক্স কে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ওয়াজেদ আলী বলেন, “এডেক্স যেন শীর্ষ অবস্থানে নিয়ে যেতে পারি সে চেষ্টা করতে হবে। এই প্লাটফর্ম থেকে বিভিন্ন সিম্পোজিয়াম, সেমিমার হবে যেখানে ডাক্তাররা অনেক বেশি উপকৃত হবে। শুরুটাই কঠিন, যে কোন জিনিস শুরু করলেই কাজ এ আগ্রহ বাড়ে এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে সেখানে রহমত ও থাকে।” আমরা এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডা. এস এম সাদাত আনোয়ার বলেন, “অনেকের অনেক ইচ্ছা থাকে কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারে না। তেমনি প্রতিষ্ঠান করার ইচ্ছা হয়তো অনেকেরই থাকে কিন্তু তা বাস্তবায়নের যোগ্যতা অনেকের থাকে না। প্রতিষ্ঠান চালাতে পারাটা একটা যোগ্যতা। আমি এডেক্সের উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি ডাক্তারদের সফট স্কিল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা রাখি।”
চিকিৎসার ক্ষেত্রে আরো বেশি সচ্ছতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বিশেষ অতিথি ডা. শাহনাহ বেগম বলেন,”আমাদের শুধু কাজের কোয়ালিটিই শুধু নয়, আমাদের মানুষ হিসেবেও ভালো মানুষ হতে হবে। রোগীর কাছে আমাদের বাস্তব চিত্রটা তুলে ধরতে হবে। চিকিৎসার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা অনেক বেশি জরুরি। ডাক্তারদের অনেক বেশি স্কিলফুল করতে এই প্লাটফর্ম অনেক বেশি এগিয়ে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।” এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল বিষয়ের ওপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। আলোচনা হয় বর্তমান ডেন্টাল প্রযুক্তি, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার নতুন ধারা নিয়ে। আয়োজকরা জানান আগামী দিনে আরও বিস্তৃত পরিসরে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে এডেক্সের। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং আধুনিক দন্ত চিকিৎসার অগ্রগতি তুলে ধরতে এডেক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকগন।