নিজস্ব প্রতিবেদক :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন ২৫৬৯ জন প্রার্থী। সারাদেশে প্রার্থিতা যাচাই বাছাই শেষে মোট ৭২৩ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে এবং বৈধ প্রার্থিতার সংখ্যা ঘোষণা করা হয়েছে ১৮৪২ জনের।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত এ যাচাই-বাছাইয়ের শেষ সময় ছিল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) থেকে মনোনয়ন বাতিল হওয়া সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা নিজেদের নিজেদের অবস্থানের পক্ষে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। ইসির তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারবেন ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থীদের আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। প্রার্থীদের আপিল দায়েরের জন্য রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে ১০ টি নির্বাচনী এলাকার ১০বুথ বসানো হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ আপিল করতে পারবেন প্রার্থীরা। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি।
প্রার্থীদের হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় গরমিল, ঋণখেলাপি, কাগজপত্রে অসংগতি, দলীয় মনোনয়নের কাগজ জমা না দেয়া, নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া দলীয় মনোনয়নের স্বাক্ষর ও মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরে মিল না থাকা, হলফনামা সঠিকভাবে দাখিল না করা, মামলাসংক্রান্ত তথ্য গোপন, প্রস্তাবকারী অন্য আসনের ভোটার হওয়া, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকা, আয়কর রিটার্নের কপি জমা না দেয়া, আয়কর বকেয়া থাকা, আয়কর রিটার্ন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্যের গরমিল, দ্বৈত নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত কাগজপত্রে অসংগতি, মনোনয়নের মূল কপি দাখিল না করে স্ক্যান কপি জমা দেয়া, সঠিক নিয়মে মনোনয়নপত্র পূরণ না করা, সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর তিন বছর অতিবাহিত না হওয়া, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না দেয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা না দেয়ার কারণে এসব মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, যাচাই-বাছাইয়ে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ২৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বা প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৯, জাতীয় পার্টির ৫৭ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিএনপির বাতিল হওয়া প্রার্থীদের অনেকেই দলীয় পরিচয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও দলীয় প্রত্যয়নপত্র ছিল না। তাদের বাইরে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে বিএনপির ৩৩১ জন বৈধ প্রার্থী রয়েছে। এর বাইরে, জামায়াতের ২৬৭, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২২৭ এবং জাতীয় পার্টির ১৬৭ জন বৈধ প্রার্থী রয়েছে। আপিলের রায়ের প্রেক্ষিতে প্রত্যেক দলে এর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। তবে আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত যদি কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে তাহলে এর সংখ্যা কমতেও পারে।
আরও জানা গেছে, বর্তমানে ৯টি আসনে ২ জন করে এবং ২২টিতে তিনজন করে বৈধ প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া অবশিষ্ট আসনগুলোতে প্রার্থী সংখ্যা তিনজনের বেশি। অন্যদিকে, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে ফেনী-১, বগুড়া-৭ ও দিনাজপুর-৩ আসনে তার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়নি।
এবার নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ২ হাজার ৯১ জন এবং বাকি ৪৭৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বিভাগ ভিত্তিক সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ঢাকা বিভাগে ৪৪২ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে ফরিদপুর বিভাগে ১৪২ জন। ফরিদপুরে ১ আসনে ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও তাদের সকলের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এতে ৮ জনের মনোনয়ন বাতিল ও ৭ জনের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে।
চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের পর ইসির এনআইডি মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবির ও এনআইডি পরিচালক সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত সর্বশেষ তথ্যমতে রংপুর বিভাগে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে ৫৯ জনের, বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ২১৯ জন। রাজশাহী বিভাগে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ৭৪ জনের, বৈধ হয়েছে ১৮৫ জনের, খুলনা বিভাগের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ৭৯ জনের, বৈধ হয়েছে ১৯৬ জনের, বরিশাল বিভাগে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ৩১ জনের, বৈধ হয়েছে ১৩১ জনের, ময়মনসিংহ বিভাগে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ১২২ জনের, বৈধ হয়েছে ১৯৯ জনের, ঢাকা বিভাগে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ১৩৩ জনের, বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৩০৯ জন, ফরিদপুর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ৪৬ জনের, বৈধ হয়েছে ৯৬ জনের, সিলেট বিভাগে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ৩৬ জনের, বৈধ হয়েছে ১১০ জনের, কুমিল্লা বিভাগে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ৯৭ জনের, বৈধ হয়েছে ২৫৯ জনের, চট্টগ্রাম বিভাগের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ৫৬ জনের, বৈধ হয়েছে ১৩৮ জনের। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে ৪৩৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এদের বেশির ভাগ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বাকিরা বিভিন্ন দলীয় ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থী। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিনে গত শুক্রবার শতাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ৩০০ আসনে ২ হাজার ৫৬৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন ৪৭৮ জন। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে যারা বাদ পড়বেন, তারা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করতে পারবেন।
মনোনয়ন বাতিল প্রার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম ৫ আসনে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফ) সভাপতি ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ ৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আনিসুলের হলফনামার সঙ্গে জমা দেয়া দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে ইসি থেকে পাঠানো দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের মিল না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। চট্টগ্রাম ৪ আসনে একজনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।
ঢাকার ২০টি আসনে ৬৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সম্প্রতি পদত্যাগ করে ঢাকা ৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া তাসনিম জারার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে ওই আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশের সম্মতি নিয়ে তাদের স্বাক্ষরসহ মনোনয়ন ফরমের সঙ্গে জমা দিতে হয়। তবে প্রস্তাবক ও সমর্থক হিসেবে তাসনিম জারা যাদের নাম দিয়েছেন, সেই ১০ জনের মধ্যে ৮ জন ঢাকা ৯ আসনের ভোটার। বাকি ২ জন ওই আসনের ভোটার না হওয়ায় নির্বাচনবিধি অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
ময়মনসিংহে গতকাল আরও ১১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। তাদের মধ্যে মামলার তথ্য গোপন করায় ময়মনসিংহ ৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান লিটনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
লালমনিরহাটের তিনটি আসনে পাঁচজনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং দুজনের মনোনয়নপত্র অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিলের কারণে লালমনিরহাট ১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তুরস্কপ্রবাসী শিহাব আহমেদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
রংপুরের ৬টি আসনে ১২ জনের প্রার্থিতা গতকাল বাতিল হয়। তাদের মধ্যে রংপুর ১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী, রংপুর ৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির রিটা রহমান, রংপুর ৪ আসনে জাতীয় পার্টির (আনিসুল-হাওলাদার) প্রার্থী আব্দুস সালাম রয়েছেন।
বগুড়ার ৪টি আসনে ৫ জনের, খুলনা ৪ আসনে ১ জনের, ফরিদপুরের চারটি আসনে ৫ জনের, শেরপুরের তিনটি আসনে ৫ জনের, সিরাজগঞ্জের তিনটি আসনে ৬ জনের, কক্সবাজার ৩ ও ৪ আসনে ২ জনের, খাগড়াছড়িতে ৮ জনের, কিশোরগঞ্জ ৪,৫ ও ৬ আসনে মোট ১০ জনের, জামালপুরের তিনটি আসনে ১২ জনের, দিনাজপুরের ২টি আসনে ২ জনের, সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ১০ জনের, মুন্সিগঞ্জের তিনটি আসনে ৭ জনের, নেত্রকোনার ৫টি আসনে ৫ জনের, ঝালকাঠির দুটি আসনে ৯ জনের, পাবনার দুটি আসনে ২ জনের, বরিশালের ছয়টি আসনে ৬ জনের এবং বরগুনার দুটি আসনে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
এ ছাড়া গোপালগঞ্জের ৩টি আসনে ১২ জনের, লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনে ১১ জনের, চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে ১৭ জনের, শরীয়তপুর ৩ আসনে ১ জনের, পিরোজপুরের তিনটি আসনে ৩ জনের, পঞ্চগড়ের ২টি আসনে ৭ জনের, ঝিনাইদহের চারটি আসনে ৪ জনের, নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে ১৬ জনের, কুমিল্লার ১১টি আসনে ৩১ জনের, হবিগঞ্জের ৪টি আসনে ১০ জনের, নড়াইলের দুটি আসনে ১৩ জনের, মাদারীপুরের তিনটি আসনে ৫ জনের, ঠাকুরগাঁওয়ের তিনটি আসনে ১ জনের, মৌলভীবাজারের ৪টি আসনে ৫ জনের, জয়পুরহাটের দুটি আসনে ৭ জনের, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৩টি আসনে ৭ জনের, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনে ৩ জনের, ভোলার দুটি আসনে ৩ জনের, টাঙ্গাইল ৭ আসনে ৩ জনের, সিলেট ২ আসনে ২ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রার্থিতা বাতিল বা স্থগিতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে। আপিলে যা যা তথ্য সংযুক্ত থাকতে হবে তা গত শনিবার প্রার্থীদের কাছে প্রচারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ইসি। নির্দেশনাগুলো হলো আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরম্যাটে) দায়ের করতে হবে; আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণসংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে; আপিল আবেদনের একটি মূল কপিসহ মোট সাতটি কপি দাখিল করতে হবে; আপিল আবেদন ইসির আপিল আবেদন গ্রহণ-সংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে; আপিল আবেদন ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে দায়ের করতে হবে; আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে; ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়-সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে এবং আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
এসব আপিল দায়ের করতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ১০টি অঞ্চলের জেলার জন্য ১০টি বুথ থাকবে। খুলনা অঞ্চল: মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা। রাজশাহী অঞ্চল: জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা। রংপুর অঞ্চল: পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা। চট্টগ্রাম অঞ্চল: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান। কুমিল্লা অঞ্চল: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর। সিলেট অঞ্চল: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। ঢাকা অঞ্চল: টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ। ময়মনসিংহ অঞ্চল: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা। বরিশাল অঞ্চল: বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর। ফরিদপুর অঞ্চল: রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর।