কুইক রেন্টালের অবসান

জাতীয় প্রচ্ছদ
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যুগের অবসানের পর এবার বেসরকারি খাতে চলমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে করা চুক্তি পর্যালোচনায় যাচ্ছে সরকার। চুক্তির কার্যকারিতা, অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা ও বর্তমান জ্বালানি বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এসব চুক্তি মূল্যায়নের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীর টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান বিভিন্ন চুক্তির কার্যকারিতা, অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা এবং বর্তমান জ্বালানি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যতা বিবেচনা করে সরকার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। এর অংশ হিসেবে বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বিদ্যমান চুক্তিগুলোও মূল্যায়নের আওতায় আনা হয়েছে।’

তিনি জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনে কুইক রেন্টাল কেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনার সরকারি নীতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে দেশের সব কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবসরে পাঠানো হয়েছে। এর ফলে ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং বিদ্যুৎ খাতকে আরও টেকসই ও দক্ষ করে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদে একটি নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সৌর, বায়ু ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *