অটোমোবাইলস অ্যান্ড এগ্রো-মেশিনারি ফেয়ার ২০-২১ সেপ্টেম্বর

অর্থনীতি
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আগামী ২০ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে দুই দিনব্যাপী অটোমোবাইলস অ্যান্ড এগ্রো-মেশিনারি ফেয়ার। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) অফিস ভবনের টপ ফ্লোরে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ‘অটোমোবাইলস অ্যান্ড এগ্রো-মেশিনারি ফেয়ার ২০২৫-রোড টু মেড ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ মেলার আয়োজন করছে বিসিআই।

দুই দিনব্যাপী এ মেলার প্রথম দিন বেলা ১১টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। পরদিন বিকেল ৩টায় হবে সমাপনী অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিসিআই ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংগঠনটির সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ।

আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো যুব সমাজ। দেশে বর্তমান ২৬ বছর গড় বয়সের ৮ কোটি মানুষ রয়েছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের জন্য ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পের বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পের বিকাশ ও দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যকে সামনে রেখে দুই দিনব্যাপী ওই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

বিসিআই সভাপতি জানান, মেলায় অটোমোবাইল, এগ্রিকালচার মেশিনারি ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ব্যবসায়ীদের ২৬টি স্টল থাকবে। সব শিল্পের সহায়ক হিসেবে বিটাক বুয়েট মোবাইল ক্লাব, আহসানউল্লাহ বিজ্ঞানও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এসএমই ব্যাংকিং খাতের কয়েকটি ব্যাংক তাদের বুথ স্থাপন করবে। মোট স্টলের সংখ্যা ৩৮টি। এ মেলার মাধ্যমে অটোমোবাইল, এগ্রিকালচার মেশিনারি ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের শিল্প উদ্যোক্তারা পরস্পরের চাহিদা ও সক্ষমতা জানতে পারবেন। সরকারের নীতি নির্ধারণ পর্যায়ের ব্যক্তিরা এ খাতের সমস্যাগুলো জানতে পারবেন এবং এর মাধ্যমে আমাদের আমদানি নির্ভরতা কমানো, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ওকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার-উল আলম বলেন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে বাংলাদেশের বর্তমান ছোট-বড় প্রায় ৫০ হাজার ইউনিট রয়েছে এবং এ খাতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ কাজ করে। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের স্থানীয়বাজার এখন প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার যার অর্ধেক দেশীয় উৎপাদন পূরণ করতে পারছে। অপরদিকে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের আন্তর্জাতিক বাজার প্রায় ৮ ট্রিলিয়ন ডলার। একইভাবে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি ক্ষেত্রের অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান ও রপ্তানিকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *